দাসপুরে সোনার দোকানে ডাকাতির কিনারা করল পুলিশ, গ্রেফতার ২ ও উদ্ধার লুঠ হওয়া গহনাও

0
525
পত্রিকা প্রতিনিধিঃ গত ১৮ অক্টোবর দাসপুরে দেবাসিস সামন্ত নামের এক স্বর্ণ ব্যাবসায়ীর দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটে৷ জয়ন্তি জুয়েলার্স নামের ওই দোকানে কয়েকজন ডাকাত ঢুকে অস্ত্র দেখিয়ে ব্যাপক পরিমানে সোনা ও রূপার গহনা লুঠ করে পালায়৷ এই খবর পাওয়া মাত্রই দাসপুরে পেট্রলিং এ থাকা পুলিশ আধিকারিক বিবেক ভর্মা খোঁজ নেন এই ঘটনার সাথে কারা ছিল৷ স্থানীয় সূত্রে খবর পান যে ৩ টি বাইক করে কয়েকজন বেশ জোরে পাঁশকুড়ার দিকে পালায়৷ এরপর একটি বাইক চেপে বিবেক ভর্মা এবং সাথে দুই ভিলেজপুলিশ তাদের ধাওয়া করেন৷ পুলিশকে লক্ষ্য করে ১৯ রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে দুষ্কৃতকারীরা৷ কয়েক রাউন্ড গুলি বিবেকবাবুর কানের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়৷ কিন্তু তাও হার মানেনি পুলিশ৷ তারা ধাওয়া করেন একটি বাইককে৷ সেই সময় পুলিশ ও দুষ্কৃতকারীদের বাইক পাশাপাশি চলে আসে এবং বিবেকবাবু লাথি মারতে থাকেন অপর বাইকটিকে৷ পাল্টা হাত চালায় দুষ্কৃতকারীরাও৷ এই ঘটনায় পুলিশের দুই কর্মী আহত হন৷ অবশেষে এই ঘটনা চলতে চলতে দুষ্কৃতকারীদেরই একজন তাদের নিজেদের বন্দুকের গুলিতে আহত হন এবং তারা পাঁকুড়ায় ঢুকে পড়েন৷ পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ভারতী ঘোষ ফোনে যোগাযোগ করেন পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়ার সাথে এবং তাঁকে বলেন পাঁশকুড়াতে কিছু দুষ্কৃতকারীরা প্রবেশ করেছে ও তাদের ধরতে এস ডি পি ও বিবেক ভর্মা সহ কয়েকজন পুলিশ গেছেন৷ তখন পাঁশকুড়া থানার ওসি দলবল নিয়ে ছুটে আসেন এবং দুষ্কৃতকারীদের খোঁজার কাজ শুরু করেন৷ জয়প্রকাশ রায় (বিহারের ছাবরা) নামের এক দুষ্কৃতকারীকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ৷ জয়প্রকাশের চিকিত্সা প্রথমে পাঁসকুড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে হয় এবং তারপর তাকে এসএসকেএম এ পাঠানো হয়েছে৷ অন্যদিকে  কাশীনাথ বুরাই নামের এপর এক দুষ্কৃতকারীকে দাসপুরের ধানখাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷ কাশীনাথের বাড়ি দাসপুর এর গয়লাখালি এলাকায়৷  ফেরার রয়েছে সনু রায়, বিশাল যাদব, জন্মে্জয় রায়, কৃষ্ণা যাদব  যারা সকলেই বিহারের ছাবড়ার বাসিন্দা৷ এছাড়াও  মুক্তি পাঁজা, জামাই দিলীপ বুড়াই ও পিন্টু নামের একজন ও স্থানীয় মাধ্যম হিসেবে এই ঘটনার সাথে জড়িয়ে আছে৷ আজ একটি সাংবাদিক বৈঠক করে পুলিশ সুপার ভারতী ঘোষ সমস্ত ঘটনার বিবৃতি দেন৷ তিনি বলেন তদন্ত চলছে, খুব শীঘ্রই বাকি ফেরাররা গ্রেপ্তার হবে৷৷