শহরের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে পরিত্যক্ত মহানালা পাকার তৈরি ও অন্যান্য দাবিতে এম কে ডি এ এবং পুরসভায় ডেপুটেশন

0
199

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ শহরের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়বল্লভপুর এলাকায় যে কাঁচা মহানালাটি রয়েছে তা দীর্ঘকাল পরিত্যক্ত হয়ে রয়েছে ফলে মহানা সমতল এবং জলাভূমিতে পরিণত হয়ে ওঠার পাশাপাশি এলাকার নর্দমাগুলিতে নোংরা জল পরিপূর্ণ হয়ে রয়েছে। মহানালার অস্তিত্ব প্রায় বিলুপ্ত হয়ে ওঠায় সব ছোট নর্দমাগুলির জল নিকাশি স্তব্ধ। স্বভাবতই মশার উৎপাত ও নোংরা জল পরিপূর্ণ হয়ে রয়েছে। মহানালার অস্তিত্ব প্রায় বিলুপ্ত হয়ে ওঠায় সব ছোট নর্দমাগুলির জল নিকাশি স্তব্ধ। স্বভাবতই মশার উৎপাত ও নোংরা জলের দুর্গন্ধে এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন। সকলেরই অভিযোগ এলাকার এই বিপর্যস্ত মহানালাটি পাকার তৈরি করে জলনিকাশি ব্যবস্থা স্বভাবিক করার জন্য বহুবারই প্রাক্তন কাউন্সিলর ও পুরপ্রধানকে জানিয়েও কোনও ফল হয়নি। শেষ পর্যন্ত এর প্রতিকারে মঙ্গলবার এম কে ডি এ-র চেয়ারম্যান মৃগেন মাইতি ও পুর প্রশাসক তথা মহকুমা শাসক দীননারায়ণ ঘোষের দ্বারস্থ হলেন বেড়বল্লভপুর শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন কমিটির সদস্যরা। মৃগেনবাবু ম০হানালাটি এমন জীর্ণ দশার কথা শুনে প্রতিকার করার আশ্বাস দিয়েছেন। এব্যাপারে তিনি সব কিছু খতিয়ে দেখে অর্থ বরাদ্দ করা কথাও জানিয়েছেন।

এছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে এদিন পুরসভার প্রশাসক তথা এস ডি ও -র কাছেও ছ’দফার এক দাবিপত্র তুলে দিয়েছে কমিটি। উক্ত মহানালা এবং অন্যান্য নর্দমার জলনিকাশি সমস্যা ছাড়াও বেড়বল্লভপুরের নতুন এলাকায় পানীয় জলের ব্যবস্থা ও রাস্তা তৈরির আবেদন জানান কমিটির সদস্যরা। মহকুমা শাসক বিষয়গুলির সমাধানে উদ্যোগ নেবেন বলে জানিয়েছেন বলে ডেপুটেশনকারীরা জানান।

দু’জায়গাতেই ডেপুটেশনে অংশ নেন উন্নয়ন কমিটির সভানেত্রী পুরবী বন্দ্যোপাধ্যায়, নন্দদুলাল ঘোষ, সুনীতি বসু অমল সরকার, জগন্নাথ দত্ত, পার্থ চট্টোপাধ্যায়।