আজ মহালয়া, কিন্তু রেডিওতে ‘মহিষাসুর-মর্দ্দিনী’র সেই নস্টালজিয়া এখন দূর অস্ত

0
47
পত্রিকা প্রতিনিধিঃ আজ মহালয়া, দেবী পক্ষের শুরু আজ থেকেই । এক সময় মহালয়ার ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের মহিষাসুর মর্দ্দিনী শুনে পুজো শুরু হত আম বাঙালীর। এখনও তার রেওয়াজ রয়েছে। তবে আধুনিকতার মোড়কে অনেকটাই ঢাকা পড়ে গিয়েছে। কদর কমেছে রেডিওর। আগে রেডিও দোকানে প্রচূর ভিড় হত। মহালয়ার সময় খদ্দেরদের লাইন পড়ে যেত। কিন্তু এখন আর রেডিওর চাহিদা নেই। বিক্রি যে একেবারে হয় না তা নয়, তবে এক একটি দোকানেহাতে গনা রেডিওই বিক্রি হয় সারা বছরে। আগে মহালয়ার আগে রেডিও সারাতেও দোকানে ভিড় লাগত। মহালয়ার ভোরে মহিষাযূরমর্দিনী শনতে নতুন রেডিওর খদ্দের, পুরনো রেডিও সারানোর জন্য রেডিও দোকানগুলিতে ভিড় লাগত। বর্তমানে রেডিওয় চাহিদা না থাকায় গুতিকয়েক রেডিওর পাশাপাশি মোবাইল, সিডি, ইলেকট্রনিক্স জিনিস্পত্র রাখছেন দোকাওন্দাররা আর দকানে দীর্ঘদিন ধরে থাকা কয়েকটা নতুন রেডিও-র সেট খদ্দেরের আসায় সামনে এনে রাখা। আর যদি কেউ পুরনো রেডিও সারাতে আসেন তা সেটা সারিয়ে দেওয়াই এখন কাজ এখানকার রেডিও মেকানিক কাম দোকানদের। তাই মহালয়ার আগে এইসব রেডিও দোকানদারদের দিন কাটছে হা-পিত্যেশ করে। কারণ বাজার জোড়া এখন এলসিডি ও এলইডি, স্মার্টফোনের খপ্পরে সেখানেই বেজে উঠছে বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের কন্ঠ। এখন রেডিওওতে মহালয়া শোনার পাঠ এক প্রকার বন্ধ হয়ে গিয়েছে।