আজ ভ্রাতৃদ্বিতীয়া

0
161
পত্রিকা প্রতিনিধিঃ দুর্গাপুজো শুরু হতে না হতেই সময়ের গায়ে যেন ডানা এসে বসে | দেখতে দেখতে চলে এল ভাইফোঁটা | শনিবার রাত ১:৩২ মিনিট অবধি আছে দ্বিতীয়া তিথি | মঙ্গলকামনায় ভাইয়ের কপালে ফোঁটা দেওয়ার আগে জেনে নিন দু চার কথা | আমাদের যা ভাইফোঁটা বা ভ্রাতৃদ্বিতীয়া, উত্তরপ্রদেশ ও বিহারে তা ভাই দুজ | দক্ষিণ ভারতে যমদ্বিতীয়া | মহারাষ্ট্র গুজরাতে ভাই বিজ | নেপালে সেটাই ভাই টিকা |
পৌরানিক প্রেক্ষাপটঃ নেপথ্যে পৌরাণিক কাহিনী আছে দুটি | কোথাও বলা হয়, নরকাসুরকে বধ করে এইদিন বোন সুভদ্রার কাছে গিয়েছিলেন শ্রীকৃষ্ণ | সুভদ্রা দাদাকে স্বাগত জানিয়েছিলেন ফুল-মিষ্টান্ন দিয়ে | আরতিও করেছিলেন | আর একটি বেশি প্রচলিত কাহিনী হল, যমরাজ গিয়েছিলেন বোন যমুনার কাছে | যমুনা বা যমীও এইভাবে অগ্রজকে বরণ করে নিয়েছিলেন | সেই থেকে সহোদরের মঙ্গলকামনায় প্রবর্তিত ভ্রাতৃদ্বিতীয়া |ভাইফোঁটা এমন এক উত্‍সব যেখানে ব্রাহ্মণ পুজারীর দরকার হয় না | তবু বিশেষ না হলেও এর জন্যেও আছে কিছু রীতি রেওয়াজ |
রীতিঃ বরণডালা সাজিয়ে ভাইকে আরতি করা হয় | এক এক বাড়ির নিয়ম অনুযায়ী এক এক রকম জিনিস থাকে সেই ডালায় | তবে প্রদীপ ধূপকাঠি পান সুপারি হরিতকি ইত্যাদি দ্রব্যই সাধারণত থাকে |
যাঁরা কোনও কারণে ভাইফোঁটা দিতে পারছেন না তাঁরা দেওয়ালে তিলক বা ফোঁটা দেন | অনেক জায়গায় আবার আকাশের চাঁদের উদ্দেশেও ফোঁটা উত্‍সর্গ করার রীতি আছে | ভাইয়ের কল্যাণ প্রার্থনা করে |
ভ্রাতৃদ্বিতীয়ার প্রচলিত মন্ত্রঃ
ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা ,
যমদুয়ারে পড়ল কাঁটা ।
যমুনা দেন যমকে ফোঁটা ,
আমি দিই আমার ভাইকে ফোঁটা।