চাঁদড়ায় নিজের ঘরে এলেন মোহনবাগানের ‘রত্ন’ পিন্টু, স্টেশনে দেখা মিলল না কোনও ক্রীড়া সংগঠকের

0
1685

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ ছেলেটি সবেমাত্র কলকাতা লিগ জয় করে ফিরেছেন নিজের জেলায়, অথচ তাঁকে ঘিরে বিন্দুমাত্র উচ্ছ্বাস, উৎসাহ দেখানোর প্রয়োজনীয়তা মনে করলেন না জেলার ক্রীড়ামোদী এবং ক্রীড়া সংগঠকরা। পিন্টু মাহাত। পশ্চিম মেদিনীপুরের চাঁদড়ার ঢড়রাশোল গ্রামের ছিপছিপে ছেলেটি এখন মোহনবাগানের হিরো, কলকাতা লিগে ইষ্টবেঙ্গল এবং মহামেডান স্পোর্টিং-এর বিরুদ্ধে তিনি গোল করে সকলের নজর কেড়েছেন। তিন মাস পর বৃহস্পতিবার এক সপ্তাহের জন্য বাড়ি ফিরলেন পিন্টু। হাওড়া থেকে লোকাল ট্রেনে চড়েই নামলেন মেদিনীপুর স্টেশনে। গুটিকয়েক সাংবাদিক এবং পিন্টুর দু-তিনজন বন্ধু ছাড়া মেদিনীপুর স্টেশনে কেউ তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতেই এলেন না। পিন্টুর বন্ধুরা তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ বিষয়ে পিন্টু কিছুই বললেন না, শুধু মৃদু স্বরে বলে গেলেন-অতশত ভাবছিই না, আপাতত মন দিয়ে খেলাধুলা করে অনেক দূর যেতে চাই। মেদিনীপুর স্টেশন থেকে পিন্টু সোজা গেলেন তার ফুটবল জীবনের প্রথম কোচ অমিয় ভট্টাচার্য্যের বাড়িতে। অমিয়বাবু বললেন, পিন্টুর মধ্যে যে প্রতিভা আছে সে একদিন দেশের জার্সি গায়ে খেলবে। পাশাপাশি এও বললেন, শহরবাসীর মনে হয় ফুটবল নিয়ে উৎসাহটা একটু কমেছে, তাই হয়তো পিন্টুকে নিয়ে উচ্ছ্বাস দেখাচ্ছে না। পিন্টুর এলাকার বাসিন্দা প্রদীপ মাহাত, অরূপ নন্দীরা বললেন, পিন্টুকে মেদিনীপুর স্টেশনে কিংবা তাঁর বাড়িতে অনেক ক্রীড়া সংগঠকই শুভেচ্ছা জানাতে যায়নি। জেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদক বিনয় দাসমাল বললেন, পিন্টু অবশ্যই ভালো ফুটবল খেলে জেলার মুখ উজ্জ্বল করেছেন, তবে উনি কবে বাড়ি ফিরবেন তা জানা ছিল না, তাই স্টেশনে ওকে শুভেচ্ছা জানাতে যাওয়া হয়নি।