এবার বড় পুজোকে পেছনে ফেলে সেরার শিরোপা পেল কম বাজেটের পুজোগুলি

0
277
জেলার সেরা প্রতিমা গোলকুয়া চক সার্বজনীন পুজোর প্রতিমা

পত্রিক প্রতিনিধিঃ জেলার বিগ বাজেট বা নামকরা পুজোগুলিকে পেছনে ফেলে দিয়ে সেরার শিরোপা ছিনিয়ে নিল তুলনামূলক কম বাজেটের পুজোগুলি। জেলা তথ্যো সংস্কৃতি দফতরের উদ্যোগে ‘বিশ্ব বাংলা শারদ সম্মান ২০১৭’ তে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেরা পূজো কমিটিগুলির নাম ঘোষনা করা হয়েছে। মঙ্গলবার জেলা তথ্যও ও সংস্কৃতি দফতরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে সেরাদের নাম ঘোষণা করে জেলাশাসক জগদীশ প্রসাদ মিনা, সাংবাদিক সম্মেলনে ছিলেন জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের আধিকারিক অনন্যা মজুমদার, অতিরিক্ত জেলাশাসক অরিন্দম নিয়োগী, সহ সভাধিপতি অজিত মাইতি প্রমুখ। বিশ্ব বাংলা শারদ সম্মানে সেরা পুজোতে ঠাঁই  পেয়ছে তিনটি পুজো কমিটি। সেগুলি হলো গড়বেতার আমলাশুলি সর্বজনীন দুর্গোৎসব, খড়গপুরের তালবাগিচা নেতাজি ব্যায়ামাগার, এবং চন্দ্রকোনা টাউনের গোপসাই লালসাগর সর্বজনীন দুর্গোৎসব। সেরা প্রতিমাতেও জেলার তিনটি পুজোকে বেছে নেওয়া হয়েছে। সেরা তিন প্রতিমা হল মেদিনীপুরের গোলকুয়াচক সর্বজনীন দুর্গোৎসব, খড়গপুরের সংঘশ্রী সাউথ ইষ্ট ডেভেলপমেন্ট এবং ঘাটালের পাঁচবেড়িয়া সানরাইজ ক্লাব। সেরা তিন মণ্ডপ সজ্জাতে স্থান পেয়েছে হুমগড় সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি, খড়গপুরের প্রেমবাজার সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি, এবং ঘাটালের হরিশপুর ফ্রেন্ডস ক্লাব। তথ্যো ও সংস্কৃতি দফতরের আধিকারিক অনন্যা মজুমদার জানিয়েছেন জেলার ৯৫টি পুজো কমিটি ‘বিশ্ব বাংলা শারদ সম্মান ২০১৭’ তে অংশ নিয়েছিল, বিচারকমণদলীরা ফলাফল নির্ধারন করেছেন। সেরা পুজো তিনটিকে ৫০ হাজার, সেরা মণ্ডপগুলিকে ৩০ হাজার এবং সেরা প্রতিমা পুজো কমিটিকে ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো জেলার নামকরা বা বেশি বাজেটের পুজোগুলি সেই সেরা শিরোপাতে ঠাঁই পায়নি।