অসমে নিহত পাঁশকুড়ার দুই রাজমিস্ত্রীর পরিবারে মন্ত্রী শুভেন্দু, দিলেন চেক, সান্ত্বনা

0
657
সৌজন্যেঃ ফেসবুক

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ একে বাঙ্গালী, তারপরে সংখ্যালঘু।তাই বিজেপি পরিচালিত আসাম সরকারের পুলিশ পুর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া থেকে দুমদুমে কাজ করতে গিয়ে নৃশংস ভাবে খুন হওয়া দুই রাজমিস্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনাকে ধামাচাপা দেবার চেষ্টা করছে।এর বিরুদ্ধে মৃতদের পরিবারকে নিয়ে সংখ্যালঘু কমিশন ও মানবাধিকার কমিশনে দরবার করবো আমরা।বৃহস্পতিবার পাঁশকুড়ার গোপালপুরে খুন হওয়া সেক ইদ্রিসের  বাড়ি গিয়ে তাঁদের সহানুভুতি জানাবার পরে সাংবাদিকদের এই কথা বলেন রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।তিনি মৃতের পরিবারের হাতে ২ লক্ষ টাকার চেক তুলে দেন।পাশাপাশি স্থানীয় ব্লকের বিডিওকে নির্দেশ দেন এই দুই পরিবার গুলি যাতে বিভিন্ন সরকারী প্রকল্পের সুবিধা পায় তার ব্যাবস্থা করার জন্যে।মাত্র  মাস দেড়েক আগে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়া থানা এলাকার বেশ কয়েকজন পাঁশকুড়া এলাকার এক ঠিকাদারের অধিনে রাজমিস্ত্রীর কাজে যান আসামে।ভিনরাজ্যে একটু বেশী উপার্জনের আশায় এরা রাজমিস্ত্রীর কাজে যান আসামের তিনশুকিয়া এলাকায়।আসামে  পাঁশকুড়া থানার গোপালনগর গ্রামের সেক ইদ্রিশ ( ৪৮) ও পাঁশকুড়া পৌরসভার ১৫ নম্বর  ওয়ার্ডের গড় পুরুষত্তমপুর গ্রামের সেক মহম্মদ (৫১) সহ মোট চারজন একসাথেই একটি বাড়িতেই বসবাস করতো।শনিবার পরিবারের সাথে শেষ কথা ফোনে হয়।এরপর রবিবার সাতসকালেই
বাড়িতে ফোনআসে মৃত্যু সংবাদ।ফোনের মাধ্যমে জানতে পারেন কিছু দুস্কৃতি রাতে বাড়িতে এসে দুজনকে হত্যা করে।আর বাকি দুজন  পাঁশকুড়া পুরসভার ১৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সেক সোনা ও সেক জহর কোনক্রমে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।প্রানে না মরলেও
হামলাকারিদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুত্বর আহত হয়ে দুমদুমে হাসপাতালে ভর্তি।
রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন একটা দল সারা দেশ জুড়ে অস্থির পরিবেশ তৈরীর চক্রান্ত করেছে।তাই পরিকল্পিত ভাবে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। পরে ঘটনাটিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে আসামের বিজেপি পরিচালিত সরকারের পুলিশ। এর বিরুদ্ধে তাঁরা তীব্র আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে মন্ত্রী জানিয়েছেন।