শহরের উপকন্ঠে হাতির পাল, আতঙ্কে বাসিন্দারা

0
538

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ শহরের উপকন্ঠে এবার হাতির পালের তাণ্ডবে উৎকণ্ঠায় গ্রামবাসীরা। শনিবার সন্ধ্যে থেকে হুলা পার্টিদের সঙ্গে হাতি তাড়িয়ে গ্রামবাসীদের রক্ষা করতে রাতভর নজরদারি বনদফতরের। মেদিনীপুর শহরের পাশেই থাকা নন্দগাড়ি গ্রামে দলমাদের দাপটে আতঙ্কিত পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার আমন ধান তোলার আগে থেকেই শালবনি গোয়ালতোড়, গড়বেতা ও মেদিনীপুর সদর ব্লকের পাশাপাশি জঙ্গলগুলিতে বুনো হাতির বিশাল পালের উপস্থিতি টের পাওয়া গিয়েচভহে। ধান পাকার পরে গৃহস্থের বাড়িতে তোলার আগেই মাঠের সুস্বাদু এই খাবার খেতে প্রতিবছরই হাতির পাল হাজির হয়ে থাকে। এবারও তাই হতেই দ্রুত নিজেদের আধপাকা ধান কেটে বাড়িতে তুলে নিয়েছেন বহুকৃষক। ফলে ফাঁকা মাঠে খাবার না পেয়ে এবারে গ্রামমুখী হয়েছে এই হাতির পাল। শনিবার সন্ধ্যের সময় মেদিনীপুর শহরের পাশেই থাকা নন্দগাড়ি, খয়রুল্লাচক এলাকায় বিশাল হাতির পাল হাজির হয়ে যায়। বিশাই এই হাতির পাল দেখে এলাকার লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। বনদফতরে খবর দিয়ে নিজেরাই হুলা পার্টিকে ডেকে হাতি তাড়ানোর জন্য জড়ো হয়ে গিয়েছিলেন মাঠের পাশে। অনেক রাত পর্যন্ত গ্রামবাসীরাই হাতিকে ঠেকানোর চেষ্টা করেছে। তাদের পাশাপাশি বনদফতরের কর্মীরাও ততপর হয়ে কাজ করেন হাতিগুলি যাতে লোকালয়ে না ঢোকে। গ্রামবাসীরা রাতে ফিরে গেলেও বনদফতরের কর্মীরা রাতভর নজরদারি চালিয়ে গিয়েছেন। সকালে ওই হাতির পালেরই কয়েকটি হাতি ভাদুতলা এলাকায় ফের বেরিয়ে পড়েছিল।  গ্রামবাসীরা তাদের আবার জঙ্গলে ফেরৎ পাঠিয়ে দেয়। লোকালয়মুখী বিশাল হাতির পাল দেখে রীতিমতো আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা। বনদফতরের মেদিনীপুর ডিভিশনের বনকর্তা রবীন্দ্রনাথ সাহা বলেন, “এলাকার লোকজনকে সাবধান করার পাশাপাশি হাতিগুলিকে তাড়ানোর চেষ্টা শুরু হয়েছে। যাতে কারও ক্ষতি না হয় সেদিকে নজর রখছি”।