নার্সদের দাবি মানল কর্তৃপক্ষ, তিন চিকিৎসককে শোকজ, সাসপেন্ড এম আর আই মালিক,

0
60
পত্রিকা প্রতিনিধিঃ টানা চারদিন ধরে নার্সদের ঘেরাও, বিক্ষোভ কর্মসূচির পর আন্দোলনকারীদের দাবি অনেকটাই মেনে নিলেন মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর থেকে একে প্রতিনিধি দল এসে তিনজন চিকিৎসককে শো-কজ করেন এবং এম আর আর সেন্টারেরে মালিককে সাসপেন্ড করেন। প্রতিনিধি দলের এই সিদ্ধান্তের পর বিক্ষোভ অবস্থান কর্মসূচি তুলে নেন নার্সরা। শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁরা তৃপ্তি দিন্দার স্মরণে মৌন মিছিল করেন শহরে। আজ শনিবার রাজ্য জুড়ে প্রতিবাদ দিবসের ডাক দিয়েছে নার্সেস ইউনিট। গত ২৯ আগষ্ট মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের স্টাফ নার্স তৃপ্তি দিন্দার মৃত্য হয়। অভিযোগ ওঠে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও এম আর আই সেন্টারের উদাসীনতায় তৃপ্তি দিন্দার মৃত্যু হয়েছে। সেদিন সকাল থেকেই সুপার অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু করেন নার্সরা। তারপর সেদিন রাতে মৃতদেহ নিয়ে পুলিশ ও নার্সদের মধ্যে ব্যপক টানাটানি হয়। রাস্তায় মৃতদেহ ফেলে রেখে বিক্ষোভ অবস্থান কর্মসূচি করে নার্সরা। নার্সেস ইউনিটির নেতৃত্বে দফায় দফায় বিক্ষোভ অবস্থান করে। কখনও সুপার, কখনও নার্সের সুপার কখনও বা কলেজের অধ্যক্ষকে ঘিরে চলে বিক্ষোভ। শুক্রবার স্বাস্থ্য দফতরের বিশেষ সচিব তন্ময় কান্তি ঘোষের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রতিনিধিদল অবস্থা খতিয়ে দেখতে মেদিনীপুর শহরে আসেন। শেষ পর্যন্ত ঠিক হয় এম আর আই সেন্টারের মালিক অতীক পালকে সাসপেন্ড করা হবে। এছাড়াও তৃপ্তি পালকে চিকিৎসা করার সঙ্গে যুক্ত চিরঞ্জিৎ নাগ, জয়দীপ দত্ত ও বিকাশ সেনকে শো-কজ করা হয়। এরপরি বিক্ষোভ তুলে নেনে নার্সরা। আন্দোলনকারী নার্সদের বক্তব্য, ডাক্তারদের শো-কজের জবার ঠিক মতো না হলে তাঁরা আবারও আন্দোলনে নামবেন। এদিকে আন্দোলনকারী নার্সদের জন্য চিকিৎসা পরিষেবা বিঘ্নিত হচ্ছে এই অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কর্মচারী ফেডারেশন সরব হয়ে বিক্ষোভ দেখান কিছুক্ষণ। বিক্ষোভের নামে তাঁরা নার্সদের হুমকি দেন এমনকি মারধর করতেও যান বলে অভিযোগ ওঠে। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ করেন কয়েকজন নার্স।