গড়বেতায় জঙ্গল সংলগ্ন জাতীয় সড়কে হাতি সতর্কতা

0
91

পত্রিকা প্রতিনিধিঃ হাতির জন্য অভয়সূচক হোর্ডিং দিল বন দপ্তর। গড়বেতার লেদাপোলের কাছে ৬০ নং জাতীয় সড়কের উপর এই হোর্ডিং দিয়েছে বন দপ্তরের আমলাগোড়া রেঞ্জ। সেখানে লেখা — সাবধান, গাড়ি আস্তে চালান — হাতি পারাপারের রাস্তা। যেকোনও সময় সড়কের উপর চলে আসতে পারে দাঁতাল হাতির দল। তাই বনদপ্তর থেকে সড়কের উপর এহেন সতর্কবাণী। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন জাতীয় ও রাজ্য সড়ক যেগুলি গভীর অরণ্য ভেদ করে চলে গিয়েছে সেখানে মাঝেমধ্যেই চোখে পড়বে বনদপ্তরের এধরনের বড় বড় হোর্ডিং। ৬০ নং জাতীয় সড়কে গড়বেতার লেদাপোলই নয়, এরকম হোর্ডিং অনেক রাস্তাতেই দেওয়া হয়েছে বলে বন দপ্তর সুত্রে জানা গেছে।  বনদপ্তরের রূপনারায়ণ বিভাগের বনাধিকারিক অর্ণব সেনগুপ্ত বলেন, ‘ বনদপ্তরের এই ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে, বহু সড়কে এরকম সতর্কীকরণ হোর্ডিং দিয়ে মানুষকে অবহিত করা হয়েছে, হাতির রুটের রাস্তায় আরও কীভাবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায় তা দেখা হচ্ছে।’ রাস্তার উপর দিয়ে পেরোচ্ছে হাতির পাল। আটকে পড়েছে সারি সারি যানবাহন। এই দৃশ্য হামেশাই দেখা যায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার জঙ্গলাকীর্ণ রাজ্য বা জাতীয় সড়কে। অনেকসময় খাবারের সন্ধানে তারা চলে আসে সড়কের উপর। ধান – চাল বা সবজি গাড়ি আটকে সেখান থেকে ইচ্ছেমত খাবার খেয়ে ফের জঙ্গলে ঢুকে যায় দাঁতালেরা। কয়েকদিন আগে গড়বেতা ও মানিকপাড়ায় এরকমভাবেই রাস্তায় গাড়ি আটকে হাতির খাবার খাওয়ার ছবি ভাইরাল হয়। বনদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, মূলত রেসিডেন্সিয়াল (আবাসিক) হাতিগুলি বহুদিন জঙ্গলে থাকার ফলে রাস্তাঘাট সম্পর্কে তাদের একটা ধারণা হয়ে যায়। যানবাহনের তোয়াক্কা না করে তারা সড়কগুলির উপর খাবারের সন্ধানে চলে আসে। আবার অনেক সময় অন্য হাতির পালও জঙ্গল পরিবর্তন করতে এই সড়কগুলি ব্যবহার করে। এসবের জন্যই বিভিন্ন জঙ্গলাকীর্ণ সড়কে বনদপ্তরের সাবধানবাণী — গাড়ি আস্তে চালান।